মহামায়ায় কায়াকিং:

কায়াকিং বহি:বিশ্বে জনপ্রিয় এডভেঞ্চারের স্পোর্টসের নাম।আমাদের দেশে এর ধারনা সম্পূর্ণ নতুন।আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম লেক কাপ্তাইয়ে সর্বপ্রথম কায়াকিং শুরু হয়। খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে জলে ভেসে বেড়ানোর রোমাঞ্চকর এই স্পোর্টসটি।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মহামায়া লেক যেন এক মায়াজাল।একবার যিনি যাবেন বার বার যেতে চাইবেন। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলা ভূমি পুরো এলাকাটি।ছোট বড় অসংখ্য উকি দিয়ে থাকা পাহাড়,চার পাশের সবুজের চাদরে মোড়ানো অথৈ স্বচ্ছ নীলাভ জল আর শুনসান নিরবতায় একা একা হারিয়ে যেতে চাইবে দূর বহুদূর।বৃষ্টির দিনে লেকে বেড়াতে বেড়াতে হঠাৎ দেখা মেলে চঞ্চলা কিশোরীর মতো দূরন্ত ঝর্ণার।যতই বিকেল গড়িয়ে আসে ততই যেন বাড়ে লেকের রূপ। নিবিড় হয় প্রকৃতি, আপন হয় দূরের সবুজ পাহাড়।

কাপ্তাইয়ের পর এবার এমন পরিবেশে পর্যটক টানতে নতুনভাবে যোগ হয়েছে কায়াকিংয়ের নতুন পর্ব।পাহাড় ঘেরা মহামায়ায় কায়াকিং এর অভিজ্ঞতা অদ্ভুত সুন্দর।নিজেই হয়ে উঠুন নিজ সাম্পানের মাঝি আর অবলোকন করুন নিস্তব্দ সুন্দর সবুজ পাহাড় উকি দিয়ে থাকা মহামায়াকে।দূরেই যেখানে পাহাড় ছুঁয়েছে আকাশকে, মেঘেরা ভেসে বেড়ায় আপন মনে সেখানে টলটলে জলে আপনি নিজেই দেখতে পাবেন নিজের স্পষ্ট ছবি।আগে যেখানে মহামায়া ছিল শুধুমাত্র পারিবারিক বিনোদন স্থান এখন কায়াকিং এর সুবাদে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে কাছে হওয়ার তুলনামূলক দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মহামায়া,দৃষ্টি কাড়ছে তরুনদের কাছে।আর সে কারণেই মহামায়া কায়াকিং পয়েন্টে বাড়ছে পর্যটকদের ভীড়। প্রতিদিন কায়কিং করছেন শতাধিক দর্শনার্থী।

মহামায়া কায়াকিং পয়েন্টের অন্যতম কর্নধার ছোট ভাই শামীম জানাল বাংলাদেশে কাপ্তাইয়ের পরে এখানেই আছে কায়াক নৌকা। আর কোথাও এমন অ্যাডভেঞ্চার নেয়ার সুযোগ নেই যাত্রীদের।মহামায়ার কায়াক গুলো অন্যস্থান থেকে আরো উন্নত ও নিরাপদ। এগুলো সম্পূর্ন আমদানী করা হয়েছে বাইরে থেকে।

কায়াকিং এর মজার অভিজ্ঞতা নিতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন লেকের মাঝে ৮ কিলোমিটার।ঘন্টা প্রতি গুনতে হবে মাত্র ৩০০ টাকা।ছাত্রদের জন্য এই খরচ আরও কম। মাত্র ২০০ টাকা।এক নায়ে চড়া যাবে ২ জন। রয়েছে নিধারিত সীমানা রেখা।এর বাইরে গেলে পর্যটকদের গুনতে হয় ১ হাজার টাকা জরিমানা। ঘন্টা ২ ঘুরে বেড়ালে যে অনন্য অভিজ্ঞতা হবে তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে আপনার জীবনে, এটা নিশ্চিত।

এমন অভিজ্ঞতা নিতে আর কি দেরি করা ঠিক হবে? হবে না কিন্তু!আনন্দকর হোক আপনার ভ্রমন।

পথঘাট:ঢাকা-চট্টগ্রামের যে কেনো বাসে করে সরাসরি নামতে হবে মিরসরাইয়ের ঠাকুরদিঘী বাজারে।ঢাকা থেকে গেলে মিরসরাইয়ের আগে আর চট্টগ্রাম থেকে গেলে মিরসরাইয়ের পরে। সেখান থেকে সিএনজি বা অটোরিক্সা যোগে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌছে যাবেন মহামায়ায়।

Post Copied From:Arifur Rahaman UjJal>Travelers of Bangladesh (ToB)

খৈয়াছড়া ঝর্ণা

এর অবস্থান চট্টগ্রাম এর মিরসরাই তে। কিছুদিন আগেও এই ঝর্ণার তেমন পরিচিতি না থাকলেও, এইই ঝর্ণার বিশালতা ও সৌন্দর্যের কারনে এর সুনাম ছরিয়ে গেছে সারা দেশজুড়ে। রিতিমত এটি পর্যটনকেন্দ্র এ পরিনত হয়েছে। তাই তো প্রতিদিন ই ভিড় বাড়চ্ছে খৈয়াছড়ায় যা ঝর্ণাপ্রেমীদের কাছে মোটেও কাম্য নয়।
আমি নিজেই ২ বার ছুটে গেছিলাম খৈয়াছড়া ঝর্ণাতে। আমার ভ্রমন অভিজ্ঞতা আজ শেয়ার করব।

*ভ্রমন গল্প – ১
আমরা সেইবার ১২ জন সদস্য গেছিলাম। প্রথমে নাপিত্তাছড়া ট্রেইল শেষ করে পৌছাই খৈয়াছড়াতে। নাপিত্তাছড়ায় প্রায় ৬ ঘন্টা ট্রেকিং পর সবারই সরিরের অবস্থা নাজেহাল ছিল। প্রথমে ২ -১ জন জেতে অনিচ্ছুক থাকলেও পরবর্তিতে সবাই হাটা শুরু করলাম খৈয়াছড়া ষ্টান থেকে। বৃষ্টিতে রাস্তাগুলো তখন অসম্ভব পিচ্ছিল ছিল। প্রতিটা ষ্টেপ এই ভেবে চিনতে পা ফেলতে হয়েছিল, কেউ কেউ পা পিছলিয়ে পরেও জাচ্ছিল। কিছু সদস্যদের কারনে আমরা সবাই পিছিয়ে যাচ্ছিলাম। তাও চাই সবাই জেনো পৌছাতে পারি শেষ অপদি।

হাটা শুরু করার ২০-২৫ মিনিট পরে ফিরে আসা কিছু অনাকাংখিত ট্রাভেলাররা বলতাছে – ভাই, লেট করে ফেলছেন, কিছুই দেখতে পাবেন নাহ, রাস্তা অনেক খারাপ, গেলে আসতে প্রবলেম হয়ে যাবে আরো অনেক কিছু। অনাকাঙ্ক্ষিত বলার কারন হচ্ছে একজন সত্যিকারের ট্রাভেলার কখনই অন্য ট্রাভেলারদের নিরুৎসাহিত করবে নাহ।

অই ট্রাভেলারদের কথা শুনে আমরা ৩-৪ জন একটু দ্রুত হাটা শুরু করি। পিচ্ছিল রাস্তায় একটু সতর্ক থাকলে একটু ভাল রাস্তা পেলেই দৌড়াচ্ছিলাম। কারন যেভাবেই হৌক দেখে যাবো। প্রায় ১ ঘন্টা পরে অবশেষে পৌছাই কাঙ্ক্ষিত সেই ঝর্ণায়।
এর পর পরের স্টেপ এ উঠার পালা, কিন্তু কিভাবে উঠবে একজন মানুষও তখন ছিল নাহ। একটা পিচ্চিকে দেখতে পেয়ে বললাম উপরে নিয়ে যেতে বিনিময় তাকে কিছু বকশিশ দিব। ওই ছেলেটা রাজি হয়।

উঠার রাস্তাটা দেখে আর একবার ভাবতে শুরু করলাম, উঠবো কি উঠবো নাহ। ট্রেকিং অভিজ্ঞতা তখন ছিল নাহ তাই একটু ভয়ও পেয়েছি। খাড়া পাহাড়ের গা বেয়ে উঠতে হবে। পর্যটকদের কারনে রাস্তা পুরোটা পিচ্ছিল ছিল, উপর থেকে মাটি ভেঙ্গে পরতাছিল। একটা রশি দেয়া আছে, ওইটা ধরেই নাকি উঠা লাগবে। কিছু রশিটা এতটা পিচ্ছিল ছিল যে বার বার হাত পিছলিয়ে যাচ্ছিলা। গামছা দিয়ে দরিটাতে গ্রিপ করে অনেক ভয় নিয়েই উঠছি ২য় স্টেপ এ।

পিচ্ছি গাইড ছেলেটা বলতাছে এখন উঠলে নামার সময় পাবেন নাহ। আবার একটা মানুষও ছিল না ওখানে। পুরো নির্জন ছিল জায়গাটা। আশায় ছিলাম কোন গ্রুপ উঠলে তাদের সাথে আমরা ২ জন এড হয়ে উঠবো। কিছুক্ষন বসে থেকেও দেখি কেউ আসে নাহ। তারপর বাধ্য হয়ে ফিরে আসছি। নিচে নেমে দেখলাম আমাদের টিম এর মাত্র ৫-৬ জন আসছে এই অপদি। বাকিরা মাঝপথ থেকেই চলে গেছে। আসার সময় মনে আকাঙ্ক্ষা ছিল পুরোটা না দেখার। হতাশ হয়েই ফিরে আসতে হয়েছিল আমাদের।

* ভ্রমন গল্প – ২

আগেরবারের আকাঙ্ক্ষাটা পুরোন করতে আবারো যাই খৈয়াছড়া ঝর্ণায়। এবার আমরা মাত্র ৪ জন। সকাল সকাল ই পৌছে যাই খৈয়াছড়া স্টান এ। হাটতে শুরু করি আমরা। এবার একটু সাহস বেসি ই ছিল। আর রাস্তাগুলো দেখে মনে হচ্ছিল প্রচুর পর্যটক এর দারা নির্যতিত তারা। রাস্তা আর এখন রাস্তা নাই, কেমন যেনো হয়ে গেছে। কাদা মাখা রাস্তার অনেকটা যায়গায় এমন ছিল যে পা দিলেই হাটু পর্যন্ত পা ঢুকে যাচ্ছে। অনেক কাদা থাকার কারনে এবার একটু সময় বেসিই লাগছিল যেতে।

গিয়ে দেখি প্রচুর মানুষের ভিড়। অবাক হয়ে গেলাম। মনে হচ্ছিল হয় ওয়াটারলেন্ড এ আসছি। যাই হোক, নিচে আর দারালাম নাহ। দরি বেয়ে উপরে উঠা শুরু করলাম। এবার জেতে খুব বেসি কষ্ট হয় নি। ২য় স্টেপ এ উঠার পরে ২ জন আর যাবে নাহ বলতাছে। আমি এবার আর হাল ছারব নাহ ঠিক করেই রাখছি। ওদের ওখানেই রেখে আমি আর এক বন্ধু উপরে উঠা শুরু করলাম। ৫/৬ স্টেপ এ উঠার পরে মানুষ পাচ্ছি না আরর। অনেকে দেখি ফিরে আসতাছে।

এর মদ্ধ্যে প্রচুর বৃষ্টিও শুরু হয়ে গেল। আর ১ স্টেপ পরে দেখি একটা গ্রুপ বসে আছে, সামনে জাওয়ার আর সাহস পাচ্ছে নাহ। তাদের উৎসাহ দিয়ে নিয়ে চললাম একসাথে। তাদের মদ্ধ্যে একটা সাহসী ছেলেও ছিল, যে অনেকবার আমকে সাবধান করেছে সাবধনএ পা ফেলতে। অবশেষ এ আমরা পৌছাই শেষ গন্তব্যে। নামার সময় খুব বেসি একটা কষ্ট হয় নি। বৃষ্টিতে পাথরের গায়ে লেগে থাকা কাদাগুলো ধুয়ে গেছে।

তখনও অনেক মানুষ উপরে উঠার জন্য মরিয়া হয়ে আছে। এমনিতে পাহাড়ের গা বেয়ে উঠতে হয়। তারপর আবার কেউ উঠতাছে আবার কেউ নামতাছে। এজন্য কোথাও কোথাও আবার ট্রাফিক ও তৈরী হচ্ছে। গা ছমছম করে নিচের দিকে তাকালেই। একটু কিছু হলেই মৃত্যু ছাড়া উপায় নেই।

সবশেষে ভাল ভাবে বাসায় ফিরে আসছি, আলহামদুলিল্লাহ।

*কিছু কথা:

খৈয়াছড়াকে একটা প্রাথমিক ট্রেকিং এর সূচনা বললে ভুল হবে নাহ। কারনটা না গেলে বুঝতে পারবেন নাহ। এমনিতে খুব বেসি কঠিন না হলেও বৃষ্টিতে এটা ভয়াবহ রূপ ধারন করে। ভিডিওতে দেখলাম এক ভাইর পা ভেঙ্গে গেছিল, তারপর তাকে এলাকাবাসীর সহায়তায় ওখান থেকে আনা হয়। সেদিন শুনলাম ভার্সিটি পরুয়া এক ভাই মারা গেছেন পাহার থেকে পরে গিয়ে। তাই ট্রেকিং এ হইহুল্লা না করে সতর্ক থাকবেন।

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোন বাস এ মিরসরাই এর বড়তাকিয়া তে নামবেন। ট্রেন এ গেল ফেনি বা সিতাকুন্ড ষ্টেশন থেকে বাস বা লেগুনায় বড়তাকিয়া যাবেন > বড়তাকিয়ার একটু সামনে লোকাল সি.এন.জি পাবেন খৈয়াছড়া ষ্টান এ যাওয়ার> খৈয়াছড়া ষ্টান থেকে পা এ হেটে খৈয়াছড়া।

* ভ্রমন টিপস:

> খাবার স্যলাইন নিবেন, ট্রেকিং এ অনেক এনার্জি পাবেন।

> জুতা ব্যাগ যাওয়ার পথে কোন একটা রেষ্টুরেন্ট এ রেখে যাবেন। আসার পথে দুপুরের লাঞ্চও করে আসতে পারেন।

> এলাকাবাসীদের সাথে খারাপ আচরন করবেন নাহ।

> পর্যটন কেন্দ্রে পানির বোতল, খাবার, পলিথিন কোন কিছু ফেলে আসবেন নাহ।

^আপনার ভ্রমন সুন্দর ও নিরাপদ হোক

Post Copied From:MD Sayed Hossen>Travelers of Bangladesh (ToB)

মিশন_চিটাগাং

একদিনে ঘুরে আসুন চিটাগাং এর বিখ্যাত তিনটি জায়গা থেকে, মহামায়া লেক, গুলিয়াখালি সি বীচ, বাশবাড়িয়া সি বীচ।

যে ভাবে যাবেন।
আমাদের ট্যুর প্লানটা তুলে ধরছি।
রাত দশটার গাড়িতে ঢাকা আবদুল্লাহপুরর থেকে উঠি এনা পরিবহন করে ফেনী জেলা শহরে আসি রাত ৪:৩০ মিনিট। এনা পরিবহন বাস কান্টারে সকাল ৬ পযন্তত থাকি। ৬ টার পর কান্টার থেকে বের হয়ে ২ মিনিট হেটে চলে আসি মহিপাল, সেখান থেকে চিটাগাং এর বাসে উঠে পড়ি গন্তব্য মিরসরাই মহামায় লেক। সকাল ৭:১৫ মিনিট পৌঁছে যায় মহামায়া লেক।
প্রস্তুত কায়াকিং করার জন্য, কেননা কায়ারিং বিজনেস ম্যান শামিম ভাই এর সাথে আগেই কথা হয়েছিল আমরা সকাল সকাল কায়ারিং করবো। ৮ টার মধ্যে শুরু হয়ে গেল আমাদের কায়ারিং ১ ঘন্টা কায়ারিং করে সকাল দশটায় চলে এলাম সিতাকুন্ড বাজার সেখান থেকে সিএনজি করে চলে এলাম গুলিয়াখালি সি বীচ, দেখলাম প্রকৃতির খেলা করলাম সাগরে ঝাপাঝাপি বসে থাকলাম অনেক সময় বীচের সবুজ ঘাসে। দুপুরের পর চলে আসলাম সিতাকুন্ড বাজার, সেখান থেকে গাড়ি করে বাশবাড়িয়া বাস স্টান, বাস স্টান থেকে সিএনজি করে বাশবাড়িয়া ঘাট ঘন্টা খানিক সময় কাটিয়ে চলে গেলাম ট্যুর লিষ্টে বাহিরে রাখা কুমিরা ব্রীজ দেখতে, এরপর রাত ৬ টায় উঠে বসলাম ঢাকার গাড়িতে।

খরচ কেমন হলো
ঢাকা টু ফেনী ৩০০ টাকা ফেনী টু মিরসারাই ৫০ টাকা কায়ারিং ২০০ টাকা ১ ঘন্টা স্টুডেন্ট ছিলাম বিধায়, নয়তবা ১ ঘন্টা ৩০০ টাকা। মিরসরাই টু সিতাকুন্ড ৩০ টাকা, সিতাকুন্ড বাজার টু গুলিয়াখালি বীচ রিজাব সিএনজি ১৩০ টাকা, আবার সিতাকুন্ড বাজার ফিরে আসতে ১৩০ টাকা, সিতাকুন্ড বাজার টু বাশবাড়িয়া বাস স্টান ১৫ টাকা এরপর সিএনজি করে বাশবাড়িয়া ঘাট জনপ্রতি ২০ টাকা,আবর বাশবাড়িয়া বাস স্টান ২০ টাকা, বাশবাড়িয়া থেকে শহর ২০ টাকা, এরপর ৬ টার গাড়িতে ঢাকা শ্যামলি পরিবহন ভাড়া ৪৮০ টাকা।

সকাল ও দুপুর ও বিকাল এর খাবার খরচ ২২০ টাকা
সর্বমোট খরচ হয়েছে আসা যাওয়া। ১৬১৫ টাকা।
এই দীর্ঘ ট্যুর প্লান লেখালেখিতে কিছুটা পরিবতন করা হয়ছে বিভিন্ন জায়গা।
এটা ছিল আমার ৪১ তম জেলা সফর।
আমি ঘুরি সারা বাংলাদেশ মিশন ৬৪ জেলা।

Post Copied From:

কিয়দাংশ অনুভুতি লাভের জন্য যেতে পারেন মহামায়া লেকে

স্থান: মহামায়া লেক

সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এর মাঝে অনেকেরই ইচ্ছা হয় জাহাজ বা নৌকা ভাসিয়ে হারিয়ে যেতে। কিন্তু বাস্তবে তা সবার জন্য সম্ভবপর হয়ে ওঠে না।তাও তার কিয়দাংশ অনুভুতি লাভের জন্য যেতে পারেন মহামায়া লেকে কায়াকিং করার জন্য।

যাতায়াত: চট্টগ্রাম/ঢাকা থেকে বাসে করে মিরসরাই, ঠাকুরদিঘী বাজার নামবেন, একটু সামনে গেলে মহামায়ার গেট দেখবেন,ওখান থেকে সিএনজি জনপ্রতি ১৫ টাকা ভাড়ায় মহামায়ার মূল গেইটে পৌঁছে যাবেন।

গেইটে জনপ্রতি টিকেট ১০ টাকা করে নিবে।
লেকের সামনে গেলে সদাহাস্য সাঈদুল ভাইকে দেখবেন, এরপর সব ব্যবস্থা উনি করে দিবেন।
সাধারণত কায়াকিং এর জন্য ঘন্টাপ্রতি ৩০০ করে নেয়, তবে স্টুডেন্ট অাইডি দেখালে ঘন্টাপ্রতি ২০০।। অামরা ৬ জন ৩ টি কায়াকে ১.৫ ঘন্টা ঘুরে খরচ হয়েছিল ৯০০ টাকা।সবার জন্য লাইফ জ্যাকেট থাকবে,অতএব যারা সাতাঁর পারেন না তারাও কায়াকিং করতে পারবেন।

কায়াকিং ছাড়াও মহামায়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্যও যেতে পারেন, তবে ওখানে গিয়ে কায়াকিং না করে অাসলে অাফসোস থেকে যাবে☺।

অার মহামায়ার মূল গেইটে ঢুকার অাগে হাতের ডানে কয়েকটি দোকান দেখবেন(অামরা খেয়েছিলাম “মা বাবার দোয়া” হোটেলে এবং খাবারের মান যথেষ্ট ভালো ছিল), ওখানে খাবার ওর্ডার করে যেতে পারেন,, কায়াকিং করে এসে খাবার রেডি পাবেন।।

হ্যাপী ট্রাভেলিং।।☺

Post Copied From:Aditta Barua‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

চরম মায়াময় মহামায়া লেক

যেভাবে যাবেন : -ঢাকা-চিটাগণ রোডে মিরসরাইয়ের আগে এই লেকটির অবস্থান

যারা সময় সুযোগের অভাবে বগা লেকে যেতে পারেন নাই তারা খুব সহজেই এই লেকটি দেখে আস্তে পারেন……… এটি বগার চাইতে আয়তনে অনেক বড় এবং বগার মতই পাহাড়ি লেক তবে পার্থক্য হচ্ছে বগা পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক লেক………
বিঃদ্রঃ গ্রুপে ইন্ডিয়া এর বিশেষ করে কাশ্মীর, সিমলা, দার্জিলিং এর ছবি দেখতে দেখতে যারা বিরক্ত তাদের জন্য বিশেষ করে………

Post Copied From:Rezwanul Kabir‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

খৈইয়াছড়া ঝর্না।

ঢাকা থেকে HIACE গাড়ি নিয়ে রাত 5:00 am. যাত্রা শুরু করছিলাম আমরা 12 জন। চট্টগ্রামের মিরসরাই এর বড়তাকিয়া বাস স্ট্যান্ড এর একটু আগেই হাতের বাম দিকের রোড খৈইয়াছড়া ঝর্না। ঐ রোড ধরে দুই কিলো গাড়ি / সিএনজি নিয়ে যাওয়া যায়।
তারপর ওখান থেকে আরো দুই কিলো পথ হাটলেই আপনি চলে যাবেন প্রকৃতির স্বর্গে। এক এক করে ঝর্না শুরু হতে থাকবে। 15/20 মিনিট করে উপরের দিকে ট্রেক করবেন আর ঝর্না গুলো আরো লোভনিও হতে থাকবে। এভাবে উপরে যেতে যেতে আপনার যে কখন 13 টা প্রকৃতির স্বর্গ দেখা হয়ে যাবে সেটা টেরই পাবেন না।। এমনকি আপনি একবারে সবচেয়ে উপরে ঝর্না উৎস পর্যন্ত যেতে পারবেন।।

সাধারনত সবাই তিন নম্বর ঝর্না পর্যন্ত যায়।
কারন তিন নম্বর ঝর্নার পর থেকে রাস্তা গুলো প্রায় 80-85 ডিগ্রী এন্গেল। ট্রেক করাটা একটু কষ্ট হলেও উপরের ঝর্নার সৌন্দর্য আপনার কষ্টকে সুখে পরিনত করে দিবে। (100% Gaurantee)

সময় কম থাকার কারনে আমরা 3 ঘন্টায় সব ট্রেক করে ফিরে আসছি। তারপর সন্ধ্যা 6টায় রওনা দিয়ে রাত 12টায় ঢাকায় পৌছালাম।।

#Information:
যাওয়া-আসা Hiace 9000/12 = 750টাকা
ব্রেকফাস্ট + লান্ঞ্চ + ডিনার = 200 টাকা

সতর্কতা :
মেয়েরা গেলে 3 নম্বর ঝর্না পর্যন্ত যেতে পারবেন।
ছেলেরা (confident) সাহস থাকলে সর্বোচ্চ উপরে যেতে পারবেন।
এই পাহাড়ের রাস্তাগুলো একটু পিচ্ছিল। সতর্কতার সাথে যাবেন।।

Post Copied From:Mehedi Hasan Anik‎>Travelers of Bangladesh (ToB)