যারা একদিনে একটা ব্যাপক ট্যুর দিতে চান এই পোষ্টটি তাদের জন্য

একদিনে চট্টগ্রামের বিখ্যাত ৫টি স্পট ঘোরার গল্প :

অনেকেই গ্রুপে বাশবাড়িয়া,মহামায়া,গুলিয়াখালি নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন।আমারও একই পোষ্ট তবে ভিন্নতা রয়েছে স্পট,সময় ও টাকায়।
আমি বলব একদিনে মহামায়া লেক, গুলিয়াখালি বীচ, বাশবাড়িয়া বীচ, কুমিরা ব্রীজ ও চট্টগ্রাম বন্দর ঘোরা।

যেভাবে যাবেন :

ঢাকার টিটিপাড়ায় স্টার লাইন,এনা পরিবহনের কাউন্টার রয়েছে। রাতে স্টার লাইন বা এনাতে করে চলে যান সরাসরি ফেনী শহর এসএসকে রোডে।সেখানে রাত টুকু কাউন্টারে থেকে ভোরে ফেনীর মহিপাল মোড় হতে চট্টগ্রামগামী বাসে করে চলে যান মিরসরাই এর ঠাকুরদীঘি বাজার।বাজার হতে cng করে চলে যাবেন মহামায়া ইকো রেসোর্ট।ঘোরা শেষ করে ফিরে আসুন ঠাকুরদীঘি বাজারে।
সেখান থেকে আবার বাসে করে চলে যান সীতাকুন্ড বাজার। বাজারে গিয়ে cng reserve করে নিয়ে যাবেন গুলিয়াখালি বীচ।দেখা শেষে সীতাকুন্ড বাজারে এসে, লেগুনা করে চলে যান বাশবাড়িয়া বাজার। বাজার হতে রিক্সা করে সোজা বাশবাড়িয়া বীচ। বীচ ঘুরে চলে আসুন বাশবাড়িয়া বাজারে। সেখান থেকে লেগুনা বা মিনিবাসে করে চলে যাবেন বড় কুমিরা বাজার।বাজার হতে রিক্সা/cng করে চলে যাবেন কুমিরা ব্রীজ এবং আবার ফিরে আসবেন বড় কুমিরা বাজার। সেখান থেকে মিনিবাস বা লেগুনার মত গাড়িতে চলে যান চট্টগ্রাম শহরের অলংকার মোড়ে।ঐখানে পেয়ে যাবেন ১১ নং রুটের বাস। উঠে বলবেন বন্দর ৪নং গেট ( কাস্টম)। নেমে বন্দর ভবন ঘুরে আবার ১১নং রুটের বাসে করে চলে আসুন অলংকার মোড়ে। ২মি. হেটে চলে আসুন একে খান রোডে।ঐখানে সকল ঢাকাগামী বাসের কাউন্টার।টিকিট কেটে ফিরে আসুন ঢাকায়।

★আমরাও এভাবেই গিয়েছি★

খরচ + সময় :

১. ঢাকা – ফেনী বাসে : ননএসি-২৮০/- ও এসি-৩৫০ (৩-৩.৩০ঘন্টা)
২. ফেনীর মহিপাল হতে ঠাকুরদীঘি বাজার : ৪০-৫০/- (৪০-৫০মি.)
৩. ঠাকুরদীঘি – মহামায়া cng up+down : ১৫+১৫=৩০/- (যেতে ৫-৭মি.)
এবং মহামায়া লেকে ঢুকতে ১০/- ফি দিতে হয়
ও কায়াকিং ১ঘন্টা ২০০-৩০০/- (student ২০০/-)
৪. ঠাকুরদীঘি – সীতাকুন্ড বাজার : ৪০-৫০/- (৩০-৩৫মি.
৫. সীতাকুন্ড বাজার – গুলিয়াখালি বীচ Full Cng reserve: ২৫০/- (up+down) (যেতে ১৫-২০মি.)
৬.সীতাকুন্ড বাজার – বাশবাড়িয়া বাজার : ১৫/- (১৫মি.)
৭. বাশবাড়িয়া বাজার – বাশবাড়িয়া বীচ : ২০+২০ =৪০/- (up+down) (যেতে (১০-১৫মি.)
৮. বাশবাড়িয়া বাজার – বড় কুমিরা : ১০/- (১৫মি.)
৯. বড় কুমিরা – কুমিরা ব্রীজ রিক্সায় : ২০+২০ =৪০/- (up+down) (যেতে ১০-১৫মি.)
১০. বড় কুমিরা – চট্টগ্রাম অলংকার মোড় : ২৮-৩০/- (৪০-৪৫মি.)
১১. অলংকার মোড় – বন্দর : ২০+২০ = ৪০/- (যেতে ২৫মি.)
১২. ঢাকা ফেরা : ননএসি ৪৮০/- ও এসি ১২৫০/- (৬-৭ ঘন্টা)

★আমাদের ট্যুর শেষ করতে মোট খরচ : ১৭১০/- প্রতি জনে★

বি: দ্র : আমরা গিয়েছিলাম দুজন। এখানে per person এর খরচ দেওয়া হয়েছে। দুজন থাকায় আমাদের খরচ একটু বেশি পরে। তবে এগুলা একদম basic খরচ যা না করলেই নয়। সকাল,দুপুর ও রাত এর খাওয়া দাওয়ার খরচ আপনাদেরর নিজের উপর। আর যত বেশি মানুষ হবে,আপনাদের খরচও কমবে।

আর মুল কথা হল যে, আপনাকে মহিপাল থেকে রওয়ানা দিতে হবে সকাল ৭-৭:৩০টা এর মধ্যে। যদি না দিতে পারেন তবে একদিনে cover করতে কষ্ট হয়ে যাবে। আর এভাবে follow করলে একদিনেই আপনি এই জায়গাগুলো দেখে আসতে পারবেন। আমার সব জায়গা শেষ করে ঘড়িতে সময় বিকাল ৫.২০ মি.

আর গুলিয়াখালি ও বাশবাড়িয়া সন্ধ্যার আগেই complete করতে হবে।কেননা সন্ধ্যার পর জায়গাটা safe না। লোকাল পোলাপান মাঝে মধ্যে Disturb করে।

তাই সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই এই স্পটগুলো যুরে আসার জন্য।✌✌

Post Copied From:Sheikh Fardin Oyon>Travelers of Bangladesh (ToB)

অবশেষে ঘুরে আসলাম চন্দ্রনাথ পাহাড়

হাটু আর কোমরের ব্যাথা এখনো ভাল হয়নি :-D।১২০০ফুট উপরে উঠা এত সহজ না 😀 একদিনের ট্যুর ছিল।৬জন বন্ধু মিলে বেশ ভাল একটা ট্যুর দিলাম।কিন্তু আমাদের কিছু ভুল ছিল।যেমন:-
১)সকালবেলা তেমন একটা নাস্তা না করেই পাহাড় এ উঠেছি।
২)সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছি পানি না নিয়ে উঠেছি।আপনারা পানির বোতলের সাথে শুকনা খাবার নিয়ে যেতে পারেন…
আমাদের সময় স্বল্পতার কারনে গুলিয়াখালি,বাঁশবাড়িয়া যেতে পারিনি।আপনারা যারা যেতে চান তারা এই দুইটা প্লেসও সাথে ঘুড়ে আসতে পারেন।
আর খরচটা কেমন হয়েছিল..? আমাদের ট্যুরটা একটু ডিফরেন্ট ছিল।তাই খরচ সম্পর্কে কিছু বললাম না।আর আমরা কুমিল্লা থেকে গিয়েছি ত তাই খরচ খুব কম হয়েছে…..
দিনের আলো বাড়ার সাথে সাথে ট্যুরিস্টদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
সবশেষে যারা ১২০০ ফুট উপরে উঠতে চান তাদের জন্য শুভ কামনা রইলো 😀 😀

Post Copied From:Sabik Rahman‎>Travelers of Bangladesh (To

মিশন_চিটাগাং

একদিনে ঘুরে আসুন চিটাগাং এর বিখ্যাত তিনটি জায়গা থেকে, মহামায়া লেক, গুলিয়াখালি সি বীচ, বাশবাড়িয়া সি বীচ।

যে ভাবে যাবেন।
আমাদের ট্যুর প্লানটা তুলে ধরছি।
রাত দশটার গাড়িতে ঢাকা আবদুল্লাহপুরর থেকে উঠি এনা পরিবহন করে ফেনী জেলা শহরে আসি রাত ৪:৩০ মিনিট। এনা পরিবহন বাস কান্টারে সকাল ৬ পযন্তত থাকি। ৬ টার পর কান্টার থেকে বের হয়ে ২ মিনিট হেটে চলে আসি মহিপাল, সেখান থেকে চিটাগাং এর বাসে উঠে পড়ি গন্তব্য মিরসরাই মহামায় লেক। সকাল ৭:১৫ মিনিট পৌঁছে যায় মহামায়া লেক।
প্রস্তুত কায়াকিং করার জন্য, কেননা কায়ারিং বিজনেস ম্যান শামিম ভাই এর সাথে আগেই কথা হয়েছিল আমরা সকাল সকাল কায়ারিং করবো। ৮ টার মধ্যে শুরু হয়ে গেল আমাদের কায়ারিং ১ ঘন্টা কায়ারিং করে সকাল দশটায় চলে এলাম সিতাকুন্ড বাজার সেখান থেকে সিএনজি করে চলে এলাম গুলিয়াখালি সি বীচ, দেখলাম প্রকৃতির খেলা করলাম সাগরে ঝাপাঝাপি বসে থাকলাম অনেক সময় বীচের সবুজ ঘাসে। দুপুরের পর চলে আসলাম সিতাকুন্ড বাজার, সেখান থেকে গাড়ি করে বাশবাড়িয়া বাস স্টান, বাস স্টান থেকে সিএনজি করে বাশবাড়িয়া ঘাট ঘন্টা খানিক সময় কাটিয়ে চলে গেলাম ট্যুর লিষ্টে বাহিরে রাখা কুমিরা ব্রীজ দেখতে, এরপর রাত ৬ টায় উঠে বসলাম ঢাকার গাড়িতে।

খরচ কেমন হলো
ঢাকা টু ফেনী ৩০০ টাকা ফেনী টু মিরসারাই ৫০ টাকা কায়ারিং ২০০ টাকা ১ ঘন্টা স্টুডেন্ট ছিলাম বিধায়, নয়তবা ১ ঘন্টা ৩০০ টাকা। মিরসরাই টু সিতাকুন্ড ৩০ টাকা, সিতাকুন্ড বাজার টু গুলিয়াখালি বীচ রিজাব সিএনজি ১৩০ টাকা, আবার সিতাকুন্ড বাজার ফিরে আসতে ১৩০ টাকা, সিতাকুন্ড বাজার টু বাশবাড়িয়া বাস স্টান ১৫ টাকা এরপর সিএনজি করে বাশবাড়িয়া ঘাট জনপ্রতি ২০ টাকা,আবর বাশবাড়িয়া বাস স্টান ২০ টাকা, বাশবাড়িয়া থেকে শহর ২০ টাকা, এরপর ৬ টার গাড়িতে ঢাকা শ্যামলি পরিবহন ভাড়া ৪৮০ টাকা।

সকাল ও দুপুর ও বিকাল এর খাবার খরচ ২২০ টাকা
সর্বমোট খরচ হয়েছে আসা যাওয়া। ১৬১৫ টাকা।
এই দীর্ঘ ট্যুর প্লান লেখালেখিতে কিছুটা পরিবতন করা হয়ছে বিভিন্ন জায়গা।
এটা ছিল আমার ৪১ তম জেলা সফর।
আমি ঘুরি সারা বাংলাদেশ মিশন ৬৪ জেলা।

Post Copied From:

চন্দ্রনাথ, গুলিয়াখালি আর বাঁশবাড়িয়া

বিগত দুই তিন মাস ধরে আমার সবচেয়ে প্রিয় গ্রুপ Traveller’s of Bangladesh এ চন্দ্রনাথ, গুলিয়াখালি আর বাঁশবাড়িয়া এর পোস্ট দেখে দেখে সিতাকূন্ডে যাবার আগ্রহ বেড়ে যায়।পাশাপাশি সিতাকূন্ড ধাম সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পবিত্র স্থান হওয়ায় আর ছোট ভাই আগ্রহ প্রকাশ করায় উতসাহ বেড়ে যায় দুই গুন। সিধ্যান্ত নেই যাবই যাব সিতাকূন্ডে যা আছে কপালে 😂😂
সময় বিষয়ক কিছু তথ্য আসা করি সবার কাজে লাগবে:
তাই চিটাগাং থেকে গত ১৭ ই নভেম্বর সকাল ৭ টায় অলংকার মোড় থেকে বাসে করে রওয়ানা দেই
সিতাকূন্ডের উদ্দেশ্য করে।ড্রাইভার কাকুকে বলা ছিল সিতাকূন্ড বাজার নামিয়ে দিতে।ঠিক ১ ঘণ্টা পর বাজারে পউছে যাই।বাজার থেকে অটোতে করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে চলে যেতে সময় লাগে ১০ মিনিট।অইখান থেকে ঢোকার পথে হাতের বাম দিক দিয়ে পাহাড় এর উপরে উঠতে সময় লাগে ১ঘণ্টা ২০ মিনিট। মন্দিরে ঘণ্টা খানিক কাটিয়ে একই পথ দিয়ে নিচে নামতে সময় লাগে ৪৫ মিনিট।পাহাড়ের পাদদেশ থেকে সোজা বড় বাজারে।
বড় বাজারে রেস্তরাঁ থেকে খেয়ে CNG রিজার্ভ করি বাঁশবাড়িয়া আর গুলিয়াখালি এর উদ্দেশ্য করে।বাজার থেকে প্রথমে বাঁশবাড়িয়া যেতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা। ওইখান থেকে গুলিয়াখালি CNG তে যেতে সময় লাগবে ১ ঘণ্টা। এবং গুলিয়খালি থেকে সিতাকূন্ড বাজার এ আসতে সময় লাগবে ২০ মিনিট। অইখান থেকে বাসে করে ব্যাক টু চিটাগাং।
আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একদিনে সব কাভার করা এবং তাতে আমরা সফল।
ছবিটি গত ১৭ ই নভেম্বর আমার হাতে তোলা।
সত্যিই সুন্দর আমাদের এই বাংলাদেশ

Post Copied From:Pratik Biswas‎>Travelers of Bangladesh (ToB)