মহামায়া লেকে রাতে ক্যাম্পিং, ভোরে কায়াকিং

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে বিজয় দিবসের ছুটি কাটাতে গিয়েছিলাম আমরা ছজন,
আমরা সরাসরি মিরসরাইয়ের ঠাকুরদিঘী বাজারে নামি,ওখান থেকে কয়েক মিনিট হাঁটলেই পাবেন মহামায়া,
আমাদের আগেই কায়াকিং পয়েন্টের ভাইয়াদের সাথে ফোনে কথা বলে বুকিং দেয়া ছিল,
আমরা যাওয়ার পরপরই তাঁবু,হ্যামোক,ক্যাম্প ফায়ারিং সব স্টার্ট করা হয়,আপনারা বলে দিলে আগেই করে রাখবে ভাইয়ারা 
তারপর সারারাত হ্যামোকে শুয়ে তারা দেখা,গান,নাচ,আড্ডা,বারবিকিউ পার্টি,আগুনের খেলা আর ওখানকার রানা ভাই- সাইদুল ভাইয়ের আথিতেয়তায় যে কেমন করে রাতের ৪.৩০ টা বেজে গেল আমরা টেরই পাই নি,
তারপর কিছু সময় রেস্ট করার পর একদম ভোরে ভোরে আমরা শুরু করি কায়াকিঙ।
কুয়াশা কেটে কেটে বাংলার ২য় বৃহত্তম কৃত্রিম হৃদে কায়াকিং করার অনুভূতি ছিল অসাধারণ।।😊😊😊
আমাদের প্যাকেজ ছিল ওখানে,
১।তাঁবু,হ্যামোক,ক্যাম্প ফায়ারিং
২।রাতের খাবার– ভাত,ভর্তা,সবজি,মুরগি
৩।বারবিকিউ মুরগি(১/৪ th per person), পরটা,কফি
৪।সকালে– পরটা,সবজি,ডিম ভাজি
এই পুরো প্যাকেজ পরেছিল জনপ্রতি ৪৫০ টাকা
আর কায়াকিং এ স্টুডেন্ট হিসেবে খরচ জনপ্রতি ১০০ টাকা( ১ বোটে ২ জন বসে)
গেলে ভাইয়ের সাথে আগে থেকে কথা বলে গেলে ভাল হয়।
ভাইদের নাম্বার—
সাইদুল ভাই—০১৬১৯৩৯৯৯১৫
রানা ভাই–০১৬১৬৭৯৬৯৬৯
#Happy touring☺☺☺
ওহ স্যরি বলতে ভুলে গেছি– মেয়েরা কায়াকিং করতে পারবে,বাট রাতে ক্যাম্পিং এ স্টে করতে পারবে না।।।

Post Copied From:Rabiul Hasan Sany‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

Leave a Reply

Your email address will not be published.