দারসবাড়ি মসজিদ

আমবাগানের ভেতরে শুনশান নীরবতা। মাঝে বিশাল এক পোড়ো স্থাপনা। ধ্বসে পড়া ছাদ খোলা আকাশ। পিছনেই একটা মরা নদী। নদীর নাম পাগলা। ওপারেই ভারতের কাটাতার।

আমার মতে বাংলাদেশে যত পূরাকীর্তি আছে তার মধ্যে সবচে আন্ডাররেটেড পুরাকীর্তি এটি। আসলে মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন ও একদম ভারত সীমান্তের সন্নিকটে আম বাগানের ভেতরে অবস্থান বলেই হয়তো সেভাবে পরিচিতি পায়নি এই পূরাকীর্তিটি।

দারসবাড়ি মসজিদ স্থাপিত হয় ১৪৭৯ সালে। এত বছর পর এখনো সগৌরবে টিকে আছে এর কাঠামো । দারসবাড়ি নামটি বিখ্যাত আর্কিওলজিষ্ট কানিংহামের দেয়া। এর মানে বড় মাদ্রাসা। এর কাছেই একটা বিহারসদৃশ শিক্ষাকেন্দ্রের কারণেই এ নামকরণ। সে বিহার নিয়ে আরেকদিন লিখবো।

ঢাকা থেকে ডাইরেক্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সেখান থেকে শিবগঞ্জ হয়ে কানসাট, সেখান থেকে ছোট সোনা মসজিদ এর পর কিলোমিটারখানেকক পর হাতের বাম দিকে হাফ কিলো

Post Copied From:Apu Nazrul‎>Travelers of Bangladesh (ToB)
Apu Nazru>lTravelers of Bangladesh (ToB)

Leave a Reply

Your email address will not be published.